আইন ২ অতিরিক্ত খেলোয়াড় (সাবস্টিটিউটস্) ও রানার; ব্যাটসম্যান অথবা ফিল্ডারের মাঠ ত্যাগ (লিভিং দ্য ফিল্ড); ব্যাটসম্যানের অবসর গ্রহণ (রিটায়ারিং); ব্যাটসম্যানের ইনিংস শুরু(কমেন্সিং ইনিংস)

১.  অতিরিক্ত খেলোয়াড় ও রানার

(ক) যদি আম্পায়াররা এ বিষয়ে সন্তষ্ট হন যে মনোনীত কোন খেলোয়াড় মনোনয়নের পর আহত বা অসুস্থ হয়েছেন, তারা ঐ খেলোয়াড়ের জন্য অনুমোদন করবেন

(১) (ফিল্ডিং এর সময়) তার বদলে অতিরিক্ত খেলোয়াড়

(২) ব্যাটিং এর সময় রানার

খেলোয়াড় মনোনয়নের পর হতে খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত যে কোন আহত বা অসুস্থতা গ্রহণযোগ্য হবে, খেলা চলছে না বন্ধ আছে এ বিষয়টা বিবেচ্য হবে না।

(খ)  আম্পায়ারদের স্বাধীনতা থাকবে অন্য কোন গ্রহণযোগ্য বিষয়ে, কোন মনোনীত খেলোয়াড়ের হয়ে খেলার জন্য অতিরিক্ত ফিল্ডার অথবা রানারকে খেলার শুরুতে অথবা অন্য যে কোন সময়ে অনুমোদন করা।

(গ) শার্ট, বুট ইত্যাদি পরিবর্তণ করতে ইচ্ছুক কোন খেলোয়াড়কে তা করার জন্য অবশ্যই মাঠের বাইরে যেতে হবে। তার জন্য কোন অতিরিক্ত খেলোয়াড় অনুমোদন করা হবে না।

২.  অতিরিক্ত খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসাবে কোন খেলোয়াড় মাঠে নামবে অথবা অতিরিক্ত খেলোয়াড় কোথায় ফিল্ডিং করবে, এ ব্যাপারে বিপক্ষ অধিনায়কের কোন আপত্তি জানানোর অধিকার নেই। যাইহোক, কোন অতিরিক্ত খেলোয়াড়ই উইকেট রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। দ্রষ্টব্য নিচের ৩ধারা।

৩.  অতিরিক্ত খেলোয়াড়ের কার্যের সীমাবদ্ধতা

অতিরিক্ত খেলোয়াড় ব্যাট করতে, বল করতে বা উইকেট রক্ষক হতে পারবে না। আরও দ্রষ্টব্য আইন ১.৩(খ) (অধিনায়ক)।

৪.  যে খেলোয়াড়ের জন্য অতিরিক্ত খেলোয়াড়ের খেলেছে

কোন মনোনীত খেলোয়াড় ব্যাট করতে, বল করতে বা ফিল্ডিং করতে পারবে এমনকি যদিও আগেই কোন অতিরিক্ত খেলোয়াড় তার হয়ে দায়িত্ব পালন করে থাকে।

৫.  ফিল্ডার মাঠে অনুপস্থিত বা মাঠ ছেড়ে গিয়েছে

যদি কোন ফিল্ডার তার দলের সাথে খেলার শুরুতে অথবা পরবর্তী যে কোন সময়ে মাঠে নামতে ব্যর্থ হয় অথবা কোন সেশন চলাকালীন সময়ে মাঠ ছেড়ে যায়

(ক) আম্পায়ারকে তার অনুপস্থিতির কারণ জানাতে হবে

(খ) এরপর আম্পায়ারের অনুমতি ব্যতীত কোন সেশনে সে মাঠে প্রবেশ করবে না। দ্রষ্টব্য নিচের ৬ধারা। আম্পায়াররা এরূপ সম্মতি দিবেন যেইমাত্র তা প্রযোজ্য হবে।

(গ) যদি সে ১৫মিনিট বা এর বেশী সময় অনুপস্থিত থাকে, নিচের (১), (২) ও (৩) ধারা সাপেক্ষে তাকে এরপর আর বল করতে অনুমতি দেয়া হবে না, যদি সে যতক্ষন সময় মাঠে অনুপস্থিত ছিল ততক্ষন সময় পর্যন্ত মাঠে উপস্থিত না থাকে।

(১) অনুপস্থিতি অথবা অনুপস্থিত জনিত সময়ের শাস্তি নতুন দিনের খেলায় প্রযোজ্য হবে না।

(২) ফলোঅন বা ইনিংস পরিত্যাগের ক্ষেত্রে, কোন দল পরপর দুই ইনিংস ফিল্ডিং করলে, এই বাধ্যবাধকতা উপরের (১) ধারা সাপেক্ষে প্রয়োজন অনুসারে দ্বিতীয় ইনিংসে চলমান থাকবে, অন্যথায় এটি নতুন ইনিংসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৩) কোন অনির্দ্ধারিত বিরতীর জন্য সময় নষ্ট হলে বিরতীর পর খেলার শুরুতে মাঠে প্রবেশকারী যে কোন ফিল্ডারের জন্যই এটি মাঠে উপস্থিত থাকা সময় বলে গণ্য করা হবে। দ্রষ্টব্য আইন ১৫.১(বিরতী)।

৬.  অনুমতি ছাড়াই ফিল্ডারের মাঠে প্রবেশ

যদি কোন খেলোয়াড় ৫(খ) ধারা ভঙ্গ করে মাঠে প্রবেশ করে এবং খেলা চলাকালীন সময় বলের সংস্পর্শে আসে,

(ক) সাথে সাথেই বলটি ডেড হবে এবং আম্পায়ার ব্যাটিং দলকে ৫টি পেনাল্টি রান প্রদান করবেন। উপরন্তু, ব্যাটসম্যান কর্তৃক সম্পন্নকৃত রানের সাথে, রানের জন্য প্রচেষ্টাকালে যদি উভয় ব্যাটসম্যান উক্ত ঘটনা ঘটার সময় পরস্পরকে অতিক্রম করে থাকেন তবে সেটিও যোগ হবে। বলটিকে ওভারের মধ্যে গণনা করা হবে না।

(খ) আম্পায়ার বিষয়টি জানাবেন অপর আম্পায়ার, ফিল্ডিং দলের অধিনায়ক, ব্যাটসম্যানদের এবং যখনই প্রযোয্য হবে ব্যাটিং দলের অধিনায়ককে তার এই কাজের কারন উল্লেখ করবেন।

(গ) ফিল্ডং দলের পরিচালক কতৃপক্ষের কাছে এবং উক্ত খেলা পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের কাছে আম্পায়াররা একত্রে মিলে খেলা শেষ হবার সাথে সাথে যত দ্রুত সম্ভব এঘটনার উপর রিপোর্ট করবেন, যারা এ ঘটনার বিপরীতে সংশ্লিষ্ট অধিনায়ক ও খেলোয়াড়ের বিপক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৭.  রানার

যে খেলোয়াড় রানার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে সে ব্যাটিং দলের সদস্য হবে এবং সম্ভব হলে ঐ ইনিংসে আগেই ব্যাট করেছে এমনটি হতে হবে। ব্যাটসম্যান যে সকল বাহ্যিক নিরাপত্তা উপকরণ (protective equipment ) পরেছে রানারও ঠিক অনুরূপ উপকরণই পরবে এবং সাথে ব্যাট থাকবে।

৮.  রানার নিয়ে খেলছেন এমন ব্যাটসম্যান কর্তৃক আইন ভঙ্গ

(ক) একজন ব্যাটসম্যানের রানার আইনের অধীন। যেখানে তার ভূমিকা সুনিদৃষ্ট ভাবে আইনের ধারায় রানার হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে ব্যতীত তাকে ব্যাটসম্যান হিসাবে গণ্য করা হবে। দ্রষ্টব্য উপরের ৭ ধারা এবং আইন ২৯.২ (যেটা ব্যাটসম্যানের এলাকা)।

(খ) রানার নিয়ে খেলছেন এমন ব্যাটসম্যান তার রানার কতৃক কোন আইন ভঙ্গের শাস্তি ভোগ করবেন যেন সে নিজেই দায়ী ঐ আইন ভঙ্গের জন্য । বিশেষকরে সে আউট হবে যদি তার রানার আইন ৩৩ (হ্যান্ডল দ্য বল), ৩৭ (অবসট্রাকটিং দ্য ফিল্ড) অথবা ৩৮ (রান আউট)এর যে কোন একটির আওতায় আউট হয়।

(গ) রানার নিয়ে খেলছেন এমন ব্যাটসম্যান যদি স্ট্রাইকার হয় তবে সে নিজেই আইনের আওতায় থাকবে এবং আইন ভঙ্গের কারণে যে সকল শাস্তির বিধান রয়েছে তার আওতায় থাকবে। উপরন্তু, যদি সে তার এলাকার বাইরে (out of his ground) থাকে যখন কোন ফিল্ডারের তৎপরতায় উইকেট রক্ষকের প্রান্তে উইকেট বৈধভাবে ভেঙ্গে ফেলা হয়, তখন উপরের (খ) সত্ত্বেও এবং রানার ও স্ট্রাইকার যেখানেই অবস্থান করুক না কেন,

(১) আইন ৩৮.২(ঙ) ধারা সত্ত্বেও, নিচের (২) ধারা ব্যতীত সে রান আউট হবে। আইন ৩৮.২(ব্যাটসম্যান রান আউট নয়) এর অনুচ্ছেদ (ক), (খ), (গ) এবং (ঘ) প্রযোয্য হবে।

(২) সে স্ট্যাম্পড আউট হবে, বলটি যদি নো বল না হয় এবং অন্য কোন ফিল্ডারের হস্তক্ষেপ ছাড়াই উইকেট রক্ষক বৈধ ভাবে উইকেট ভেঙ্গে ফেলে। যাইহোক, আইন ৩৯.২(ক) ( স্ট্যাম্পড আউট নয়) প্রযোজ্য হবে।

যদি সে এভাবে আউট হয়, উইকেট ভেঙ্গে ফেলার আগে রানার এবং অন্য ব্যাটসম্যান কর্তৃক সংগৃহীত সকল রান বাতিল হবে। যাইহোক  উভয় পক্ষকে প্রদান করা যে কোন শাস্তিমূলক রান বহাল থাকবে। দ্রষ্টব্য আইন ১৮.৬ (শাস্তি হিসাবে প্রদত্ব রান)। নন-স্ট্রাইকার তার নিজ প্রান্তে ফিরে আসবেন।

(ঘ) রানার নিয়ে খেলছেন এমন ব্যাটসম্যান যখন স্ট্রাইকার নন

(১) সে আইন ৩৩(হ্যান্ডল দ্য বল) এবং ৩৭(অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড) এর আওতা ব্যতীত খেলার বাইরে থাকবেন।

(২) স্ট্রাইকার প্রান্তের আম্পায়ারের নির্দেশিত স্থানে সে দাঁড়াবে যাতে সে খেলার মধ্যে এসে না পড়ে।

(৩) উপরের(১) সত্ত্বেও যদি সে কোন অসংগত (unfair) খেলায় জড়িয়ে পড়ে, আইন অনুসারে সে শাস্তির আওতায় থাকবে।

৯.  ব্যাটসম্যানের অবসর

একজন ব্যাটসম্যান তার ইনিংসের যে কোন সময় যখন বল ডেড হয় অবসর (রিটায়ার) নিতে পারেন। খেলা পুনরায় শুরু করার আগে আম্পায়াররা ব্যাটসম্যানের অবসরের কারণ সম্পর্কে জানবেন।

(ক) যদি কোন ব্যাটসম্যান অসুস্থতা, আহত অথবা অন্য কোন অনিবার্য কারণ বশতঃ অবসর নেয়, তবে সে নিচের (গ) ধারা সাপেক্ষে পরবর্তিতে তার ইনিংস আবার শুরু করতে পারবে। যদি সে কোন কারণ বশতঃ তা না করে তবে তার ইনিংস ‘রিটায়ার্ড –নট আউট’ হিসাবে লিখা হবে।

(খ) যদি উপরের (ক) ধারা ব্যতীত কোন ব্যাটসম্যান অন্য কোন কারণে অবসর নেয় তবে শুধুমাত্র বিপক্ষ অধিনায়কের সম্মতিতে সে তার ইনিংস আবার শুরু করতে পারে। যদি সে কোন কারণ বশতঃ তা না করে তবে তার ইনিংস ‘রিটায়ার্ড – আউট’ হিসাবে লিখা হবে।

(গ) অবসর নেবার পর কোন ব্যাটসম্যান তার ইনিংস আবার শুরু করে, তবে তা শুধুমাত্র কোন উইকেটের পতন বা অন্য কোন ব্যাটসম্যানের অবসর নেবার পর।

১০. ব্যাটসম্যানের ইনিংস আরম্ভ

কোন দলের ইনিংসের শুরু ব্যতীত, কোন ব্যাটসম্যান যখন খেলার মাঠে পা রাখে তখন তার ইনিংস আরম্ভ হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়, শর্ত থাকে যে এক্ষেত্রে টাইম ডাকা হয় নি। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের ইনিংস এবং ঐ সকল নতুন ব্যাটসম্যানের ইনিংস টাইম ডাকার পর খেলা আবার শুরু হলে, প্লে ডাকার মাধ্যমে আরম্ভ হবে।

আইন ১ খেলোয়াড় (দ্য প্লেয়ার্স)

আইন ১ খেলোয়াড় (দ্য প্লেয়ার্স)

১.  খেলোয়াড়ের সংখ্যা

কোন খেলা হবে দুই দলে, প্রতি দলে থাকবে এগার জন খেলোয়াড়, যাদের একজন হবে অধিনায়ক। সম্মতির মাধ্যমে উভয় পক্ষে এগার জনের কম বা বেশী খেলায়াড়ের অংশগ্রহণে একটি খেলা হতে পারে, কিন্ত এগার জনের বেশী খেলোয়াড় কখনো একসাথে ফিল্ডিং করতে পারবে না।

২.  খেলোয়াড়ের মনোনয়ন

টসের পূর্বে প্রত্যেক অধিনায়ক লিখিত ভাবে যে কোন একজন আম্পায়ারের কাছে তার খেলোয়াড় মনোনয়ন করবে। মনোনয়নের পর বিপক্ষ অধিনায়কের সম্মতি ব্যতিত কোন খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবেনা।

৩.  অধিনায়ক

যদি কোন সময় অধিনায়ক উপস্থিত না থাকে, একজন সহকারী তার হয়ে কাজ করবেন

(ক) যদি টস করার সময় অধিনায়ক উপস্থিত না থাকেন, তখন সহকারী অবশ্যই খেলোয়াড় মনোনয়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হবেন, যদি না তা(খেলোয়াড় মনোনয়ন) আগেই হয়ে থাকে, এবং টস করবেন। দ্রষ্টব্য উপরের ২ধারা এবং আইন ১২.৪ (দ্য টস)

(খ) খেলোয়াড় মনোনয়ন পরবর্তী যে কোন সময়, শুধুমাত্র একজন মনোনীত খেলোয়াড় সহকারী হিসেবে এই আইনগুলোতে বর্ণিত অধিনায়কের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ পালন করবেন।

৪. অধিনায়কদের দায়িত্ব

অধিনায়করা সবসময় এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে দায়িত্ববদ্ধ যে চেতনা এবং খেলার ঐতিহ্য অনুযায়ী খেলা পরিচালিত হবার পাশাপাশি আইন অনুযায়ীও পরিচালিত হচ্ছে। দ্রষ্টব্য সূচনা – ক্রিকেটের চেতনা এবং আইন ৪২.১ (সংগত ও অসংগত খেলা – অধিনায়কদের ভূমিকা)

সূচনা – ক্রিকেটের চেতনা ( দ্য প্রিঅ্যাম্বল – দ্য স্প্রিট অব ক্রিকেট)

ক্রিকেটের আইন (দ্য লজ অব ক্রিকেট)

সূচনা – ক্রিকেটের চেতনা  ( দ্য প্রিঅ্যাম্বল – দ্য স্প্রিট অব ক্রিকেট)

ক্রিকেট খেলা তার অন্যন্য আবেদনের নিকট অনেকাংশে ঋনী এ বাস্তবতার জন্য যে খেলাটি শুধু আইন মেনেই খেলা হয় না বরং খেলাটির চেতনা ( the Spirit) অনুযায়ীও খেলা হয়। এই চেতনাকে অমযর্দা করে এমন কোন কাযর্কলাপ মূলত খেলাটিকেই আহত করে। পরিচ্ছন্নভাবে খেলার ( fair play) চেতনা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব অধিনায়কদের উপর বর্তায়।

১. দুটো আইনের মাধ্যমে দলের আচরণগত দায়িত্ববালী অধিনায়কের উপর দৃঢ়ভাবে বর্তায়

অধিনায়কদের দায়িত্ব

অধিনায়করা সবসময় এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে দায়িত্ববদ্ধ যে চেতনা অনুযায়ী খেলা পরিচালিত হবার পাশাপাশি আইন অনুযায়ীও পরিচালিত হচ্ছে।

খেলোয়াড়দের আচরণ

যদি কোন খেলায়াড় আম্পায়ারের নির্দেশনা অনুসরণে ব্যর্থ হয়, অথবা কথা বা কাজের মাধ্যমে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে, অথবা ভিন্নমত প্রদর্শন করে, অথবা এমন আচরণ করে যা খেলাটিকে বিতর্কিত করে, সংশ্লিষ্ট আম্পায়ার প্রথমেই বিষয়টি জানাবেন অপর আম্পায়ারকে এবং খেলোয়াড়ের অধিনায়ককে, এবং শেষোক্তজনকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিবেন।

২. সংগত ও অসংগত খেলা

আইন অনুযায়ী আম্পায়াররা সংগত ও অসংগত খেলার একমাত্র বিচারক।

আম্পায়াররা যে কোন সময় হস্তক্ষেপ করতে পারেন এবং যেখানে প্রয়োজন ব্যবস্থা গ্রহন করা অধিনায়কের দায়িত্ব ।

৩. যে সকল ক্ষেত্রে আম্পায়াররা হস্তক্ষেপের ক্ষমতাপ্রাপ্ত:

  • সময় নষ্ট করা
  • পিচের ক্ষতি সাধন করা
  • বিপদজনক বা অবৈধ বোলিং
  • বলের আকারের পরিবর্তন সাধন করা
  • অন্য যে কোন বিষয় যা তাদের কাছে অবৈধ বলে মনে হয়

৪. খেলার চেতনার জন্য আবশ্যিক যে বিষয়গুলোর সম্মান:

  • তোমার প্রতিপক্ষ
  • তোমার নিজ দলনায়ক এবং দল
  • আম্পায়ারদের ভূমিকা
  • খেলা এবং এর ঐতিয্যগত মূল্য

৫. যা খেলার চেতনার পরিপন্থী:

  • কথা, কাজ বা অঙ্গভঙ্গীর মাধ্যমে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে বিতর্কিত করা
  • প্রতিপক্ষ বা আম্পায়ারের উদ্দেশ্যে গালি দেয়া
  • প্রতারণা বা অসাধু পন্থার মাধ্যমে নিজের মতলব হাসিল করা, উদাহরণ স্বরূপ:

(ক) ব্যাটসম্যান আউট নয় জেনেও আপিল করা

(খ) আপিলের সময় আগ্রাসী ভঙ্গীতে আম্পায়ারের দিকে তেড়ে যাওয়া

(গ) নিজ দলকে উৎসাহ দেওয়ার ছলে, কথা বা ধারাবাহিক হাততালি বা অপ্রয়োজনীয় শব্দ করে পতিপক্ষের মনোসংযোগ বিনষ্ট করতে চেষ্টা করা

৬. সংঘাত

খেলার মাঠে কোন সংঘাত ঘটানো যাবেনা

৭. খোলোয়াড়

অধিনায়কেরা ও আম্পায়াররা একত্রে মিলে একটি ক্রিকেট ম্যাচ কিভাবে পরিচালিত হবে তা নির্দ্ধারণ করবেন।[1] সকল খেলোয়াড় এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হয়।

খেলোয়াড়েরা, আম্পায়াররা এবং স্কোরাররা কোন ক্রিকেট খেলায় যে কোন লিঙ্গের হতে পারে এবং আইন তাদের উভয়ের জন্যই সমভাবে প্রযোজ্য হবে। সংক্ষেপ করার লক্ষ্যে এখানে সবর্নাম হিসেবে পুরুষ লিঙ্গের ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যতিক্রম রয়েছে বলে যেখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে ছাড়া আইনের প্রত্যেক ধারা সমানভাবে মহিলা এবং বালিকাদের সাথে সাথে পুরুষ ও বালকদের জন্য প্রযোজ্য বলে পড়তে হবে।


[1] set the tone

if something someone says or does sets the tone for an event or activity, it establishes the way that event or activity will continue, especially the mood of the people involved (often + for ) He was furious when she arrived late, and that set the tone for the whole evening.

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 92 other followers